‘না ভোট’ পুনরায় চালুর প্রস্তাব বিএনপির পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, এই প্রস্তাব এসেছে কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির পরামর্শ থেকে, বিএনপির পক্ষ থেকে নয়।
রোববার (১৭ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
\r\nনজরুল ইসলাম খান বলেন, “আমরা মূলত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি জানতে এসেছি।”
\r\nএ সময় তিনি জানান, ‘না ভোট’ নিয়ে এখনো বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অবস্থান নেয়নি। আরপিওতে (নির্বাচনী বিধি) সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব সংযুক্ত হলে সেটি দেখে দলীয়ভাবে বিবেচনা করা হবে।
\r\nএর আগে, ১১ আগস্ট নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ঘোষণা দেন যে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ‘না ভোট’ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে সমান ভোটের ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে পুনঃভোটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সেনা, নৌ ও কোস্টগার্ড নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে।
\r\nবৈঠকে প্রবাসী ভোটারদের বিষয়েও আলোচনা হয়। নজরুল ইসলাম খান বলেন, “সিইসি জানিয়েছেন—যাদের এনআইডি ও ই-পাসপোর্ট আছে, তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে। আমরা দাবি জানিয়েছি, যাদের সাধারণ পাসপোর্ট রয়েছে, তাদেরও যেন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।”
\r\nসংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ইসি কী ভিত্তিতে সীমানা নির্ধারণ করছে, তা জানতে চেয়েছি। আমরা চাই, জনগণের আস্থা অর্জনের মতো একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সীমানা নির্ধারণ হোক।”
\r\nআসন ভাগাভাগি নিয়ে দলীয় অবস্থান প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তফসিল ঘোষণার পর এ নিয়ে দলীয়ভাবে আলোচনা হবে।”
\r\nপ্রতিনিধি দলে নজরুল ইসলাম খানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।





