ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর পর ইসরায়েলের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচি— এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী মেইর মাসরি। সামাজিকমাধ্যম ‘এক্স’ (পূর্ববর্তী টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।

\r\n

এর আগে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর আসে, ইসরায়েল যদি ইরানে পারমাণবিক হামলা চালায়, তবে পাকিস্তান পাল্টা জবাব দিতে পারে। তবে এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ইসলামাবাদ

\r\n

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানান,“আমাদের পরমাণু কর্মসূচি কেবলমাত্র জাতীয় স্বার্থে ব্যবহৃত হবে এবং তা প্রতিরক্ষামূলক।”

\r\n

এই ঘোষণার পরই মেইর মাসরি পাকিস্তানের পরমাণু প্রকল্পকে ভবিষ্যৎ টার্গেট করার ইঙ্গিত দেন।

\r\n

এদিকে উত্তেজনাপূর্ণ এই প্রেক্ষাপটে হোয়াইট হাউজে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে মিলিত হন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির। বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেন,

\r\n“আসিম মুনিরের সঙ্গে দেখা করে আমি সম্মানিত।”

\r\n

তিনি আরও জানান, গতমাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনার সময় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে মুনির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ট্রাম্প এই অবদানের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।

\r\n

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন,“সেনাপ্রধান মুনির প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, কারণ তিনি ভারত-পাকিস্তান পারমাণবিক যুদ্ধ এড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছেন। এজন্যই তাকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানানো হয়।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের ছায়া এবার দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোতেও পড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সংলাপ ও আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ না হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে

\r\n