লেবাননের সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর উপমহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম ঘোষণা দিয়েছেন, ইসরাইলের পতন অবশ্যম্ভাবী, কারণ এই রাষ্ট্র গঠিত হয়েছে দখলদারিত্ব, অন্যায় ও অপরাধের ভিত্তিতে।


\r\n

ইসরাইলের পেজার আক্রমণের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সম্প্রচারিত এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি এই মন্তব্য করেন। হিজবুল্লাহপন্থী টিভি চ্যানেল আল-মানার এক প্রতিবেদনে এই বক্তব্য তুলে ধরা হয়।


\r\n

ভাষণে শেখ কাসেম বলেন, “পেজার হত্যাযজ্ঞে আহতরা কেবল প্রতিরোধের যোদ্ধা নন, তারা আশার প্রতীক, যারা আল্লাহর প্রতি আনুগত্যে চিরন্তন জীবনের বার্তা বহন করে।”


\r\n

আহতদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদের এই পুনরুদ্ধারই সবচেয়ে বড় বিজয়। কারণ আপনারা পরীক্ষিত হয়েছেন, এবং তাতে উত্তীর্ণ হয়েছেন।”


\r\n

তিনি আরও বলেন, শত্রুর উদ্দেশ্য ছিল আহতদের মনোবল ভেঙে দেওয়া ও তাদেরকে যুদ্ধের ময়দান থেকে সরিয়ে ফেলা, কিন্তু আহতরা এখন আরও দৃঢ়, আরও অনুপ্রাণিত।


\r\n

শেখ কাসেম আহতদের ইসলামের মূল বার্তার ধারক হিসেবে অভিহিত করেন এবং বলেন, “আপনারা মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর পরিবার, ইমাম খোমেনি এবং ইমাম খামেনির পথের অনুসারী। আপনারা জীবন্ত প্রতিরোধের প্রতীক, যা বিশ্বজুড়ে অন্যদের জন্য প্রেরণার উৎস।”


\r\n

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ইসরাইলের পতন হবেই। কারণ এটি একটি অবৈধ দখলদার রাষ্ট্র, যা অন্যায় ও অপরাধের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু মুক্তি অর্জনের আগ পর্যন্ত প্রতিরোধ চলবে, আর সেই পথ দুটি গন্তব্যে নিয়ে যাবে—বিজয় অথবা শাহাদত। এটাই আমাদের জন্য চূড়ান্ত বিজয়।”