ই–বেইলবন্ড বা ডিজিটাল জামিননামা চালু হলে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে এবং একই সঙ্গে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।


বুধবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয় থেকে ভার্চুয়ালি দ্বিতীয় ধাপে দেশের আটটি জেলায় ই–বেইলবন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।


দ্বিতীয় ধাপে মানিকগঞ্জ, বান্দরবান, মেহেরপুর, জয়পুরহাট, মৌলভীবাজার, পঞ্চগড়, ঝালকাঠি ও শেরপুর জেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।


সংশ্লিষ্টরা জানান, ই–বেইলবন্ড চালুর ফলে একজন বন্দিকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনলাইনে জামিননামা দাখিল করায় অনেক ক্ষেত্রে এক ঘণ্টার মধ্যেই আসামির মুক্তি নিশ্চিত করা যাবে।


ড. আসিফ নজরুল বলেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে জামিননামা দাখিল করতে ১০ থেকে ১২টি ধাপ পার হতে হতো। এতে সময় বেশি লাগত এবং মানুষকে নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো। ই–বেইলবন্ড চালুর মাধ্যমে সেই জটিলতা কমবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।


তিনি জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের সব জেলায় ই–বেইলবন্ড চালু করা সম্ভব হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালেই আরও কয়েকটি জেলায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।


এর আগে প্রথম ধাপে নারায়ণগঞ্জ জেলায় ই–বেইলবন্ড কার্যক্রম শুরু হয়, যা বর্তমানে সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।