সরকার নির্ধারিত ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার অতিরিক্ত জনপ্রতি এক লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া পাসপোর্ট, কোভিড-১৯ টেস্ট, মেডিক্যাল ও পোশাক বাবদ অতিরিক্ত ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রাজধানীর বনানী থানায় এ মামলা করা হয়েছে। মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং তার জনশক্তি রফতানি প্রতিষ্ঠান ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল ও অন্যান্য আসামিদের সাথে যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে ২০১৬ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ৩০ মে পর্যন্ত মোট নয় হাজার ৩৭২ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠায়। এ সময় সরকার নির্ধারিত ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার অতিরিক্ত জনপ্রতি এক লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এছাড়া পাসপোর্ট, কোভিড-১৯ টেস্ট, মেডিক্যাল ও পোশাক বাবদ অতিরিক্ত ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এসব অনিয়মের মাধ্যমে মোট ১০০ কোটি ৭৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে সিআইডি। এ ঘটনায় ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক মণ্ডলী এবং প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে কর্মী প্রেরণকারী সিন্ডিকেট সদস্যদেরও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যেই সিআইডি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা প্রায় পাঁচ কোটি ৯১ লাখ টাকার ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছিল। সুষ্ঠু ও বিজ্ঞানসম্মত নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে সিআইডি মানিলন্ডারিং অপরাধের প্রকৃত সকল দোষী ব্যাক্তিদেরকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।