১৪ অক্টোবর প্রথমবারের মতো কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে পক্ষপাতের অভিযোগ তোলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মো. তাহের। পরে ১৪ নভেম্বর আট দলের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সুনির্দিষ্ট তিন উপদেষ্টাকে সতর্ক করে নিরপেক্ষতার আহ্বান জানানো হয়।
তফসিল ঘোষণার আগে জেলা প্রশাসকসহ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একের পর এক বদলি ও পদায়নকে ভালোভাবে নেয়নি জামায়াতসহ আটটি দল। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে একটি রাজনৈতিক দলের সুবিধা দিতে উপদেষ্টাদের ব্যবহার করে অসমতল মাঠ তৈরি করা হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, কোন ডিসিকে কোন জেলায় নিলে নির্বাচনে সুবিধা পাওয়া যাবে তা নাকি ‘গ্রিনরুমে’ বসে ঠিক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “৩ অথবা ৭ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এর আগেই এমন অস্থিতিশীলতা জাতি ভালোভাবে নেয়নি।”
এ অভিযোগের পরই রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন ওঠে—কারা সেই তিন উপদেষ্টা? যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলো দাবি করছে, আরপিও সংশোধন নিয়ে বিএনপিপন্থী এক নেতার বক্তব্য একজন উপদেষ্টার সাথে গোপন সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছে। অন্য একজন উপদেষ্টার সাথে বিএনপির শীর্ষ এক নেতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ভিডিও নিয়ে নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তারা জানায়, নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে তফসিলের আগেই ওই উপদেষ্টাদের পদত্যাগ দাবি করা হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “চেয়ারপারসনের একজন উপদেষ্টা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে বলেছেন, আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্যের সঙ্গে আইন উপদেষ্টার সমঝোতা হয়েছে। সংশোধনী বাতিল করা হবে। এটি স্পষ্ট করে যে সমতল মাঠ ভেঙে গেছে।”
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুচ আহমেদ বলেন, “আইনত তাদের রাখা ঠিক হয়নি। এর পরও যদি আরও প্রমাণ আসে, আমরা তাদের অব্যাহতির দাবি জানাব।”
এর আগেও কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছিল বিএনপি।





