যুক্তরাষ্ট্র সুদানের মুসলিম ব্রাদারহুডকে আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপে গোষ্ঠীটির ওপর কঠোর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সোমবার (৯ মার্চ) জানায়, মুসলিম ব্রাদারহুডকে এখন থেকে বিশেষভাবে মনোনীত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী (SDGT) হিসেবে গণ্য করা হবে এবং আগামী সপ্তাহ থেকে এটি বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন (FTO) হিসেবে পূর্ণ তালিকাভুক্ত হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio বলেন, গোষ্ঠীটি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বর্বরোচিত সহিংসতা চালাচ্ছে এবং সুদানে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের দাবি, তারা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (IRGC) সমর্থন পাচ্ছে।
সুদানি সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF)-এর মধ্যে সংঘর্ষে মুসলিম ব্রাদারহুডের যোদ্ধারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ট্রাম্প প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণহারে মৃত্যুদণ্ডের মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছে।
সিদ্ধান্তকে দ্রুত স্বাগত জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যারা বলেছে, এটি সুদানের অস্থিতিশীলতা তৈরিকারী শক্তিগুলোকে দমন করতে সহায়ক হবে। দীর্ঘদিন ধরে আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই গোষ্ঠীকে নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে আসছে।
মুসলিম ব্রাদারহুড প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯২৮ সালে মিশরের হাসান আল-বান্নার হাতে। বর্তমানে এটি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাজুড়ে বিস্তৃত একটি আদর্শিক নেটওয়ার্ক। পশ্চিমা দেশগুলোর ডানপন্থিরা দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম ব্রাদারহুডকে নেতিবাচক ও হুমকিস্বরূপ হিসেবে চিত্রায়িত করার চেষ্টা করে আসছে।
আপনি চাইলে আমি এটাকে অ্যাটাকিং হেডলাইন ও সংক্ষিপ্ত নিউজ স্ক্রিপ্টেও সাজাতে পারি। এটা করতে চাইবেন কি?ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন গাইডলাইন ২০২৬ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।





