লক্ষ্যটা ২৮৬ রানের। চ্যালেঞ্জিং হলেও ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামের ব্যাটিং বান্ধব উইকেটে এই লক্ষ্য তাড়া করা কঠিন কিছু নয়। যদিও সেটা করে দেখাতে পারেনি বাংলাদেশ। আরও সহজকরে বলতে গেলে- রান তাড়ায় লড়াইয়ের মানসিকতা দেখাতে পারেনি মেহেদি হাসান মিরাজের দল। দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিংয়ের দিনে সফরকারীদের সঙ্গী হয়েছে ৯৯ রানের হার। সেই সঙ্গে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারল বাংলাদেশ।
অতীতে কখনও শ্রীলঙ্কার মাটিতে সিরিজ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। এবার সে পরিসংখ্যান নতুনকরে লিখার সুযোগ এসেছিল। কিন্তু শেষ ওয়ানডেতে হতাশাজনক হারে পরিসংখ্যান বদলাতে পারল না ফিল সিমন্সের দল। লঙ্কানদের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের অপেক্ষাটা দীর্ঘই হলো তাদের জন্য। প্রথম ওয়ানডে ৭৭ রানে হারে অতিথিরা। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ঘুরে ১৬ রানের জয়ে ঘুরে দাঁড়ায়। তাই শেষ ম্যাচটি অলিখিত ফাইনালে রূপ নেয়। যেখানে শেষ হাসি হাসল শ্রীলঙ্কা।
২৮৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছে ১৮৬ রানে। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করতে হতো বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুতেই তালগোল পাঁকিয়ে ফেলে সফরকারী দল। দলীয় ২০ রানের মধ্যেই ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৩ বলে ১৭ রান করে আসিথা ফার্নান্দোর বলে বোল্ড হন আগেরজন। রানের খাতা খুলতে পারেননি শান্ত। এরপরও রানের চাকা সচল ছিল কিছুটা সময়। পাওয়ারপ্লের ১০ ওভার শেষ না হতেই দলীয় অর্ধশত রান পূর্ণ হয় বাংলাদেশের- আর কোনো উইকেট না হারিয়েই। নিজেদের ইনিংসে বাংলাদেশের প্রাপ্তি বলতে ওই এতোটকুই৷ এছাড়া আর কখনই ম্যাচের লাগাম ছিল না বাংলাদেশের হাতে৷
দলীয় ১২৪ রানে শামিম পাটোয়ারি ফিরে গেলে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ৷ কার্যত তখনই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা৷ সর্বোচ্চ ৫১ রানের ইনিংস খেলেন তাওহীদ হৃদয়। তবে দলকে জেতানোর মতো কোনো লক্ষণ ছিল না তার ব্যাটিংয়ে। হৃদয়ের ৭৮ বলের ইনিংসটি কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। সমান ২৮ রান আসে মিরাজ ও ইমনের ব্যাটে। ২৭ রান করেন জাকের আলি অনিক৷ এছাড়া বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে আর কেউ দাঁড়াতে পারেননি।
বিস্তারিত আসছে.......





