বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের এক মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে দেওয়া তাঁর বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পাশাপাশি ট্রল, কটাক্ষ ও বিদ্রূপে ভরে উঠেছে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো।
\r\nশুক্রবার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “ড. ইউনূসের পদত্যাগ বিএনপি চায় না। তবে আবেগের বশবর্তী হয়ে তিনি চলে গেলে জনগণ বিকল্প খুঁজে নেবে।” এই বক্তব্য প্রকাশের পরপরই তা ভাইরাল হয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে, ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও।
\r\nরাতেই বিএনপির অফিসিয়াল ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে উক্ত বক্তব্যের একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৮ ঘণ্টায় এতে রিয়্যাক্ট করেছেন ৩৮ হাজার ৩০০ জন, মন্তব্য এসেছে ৯ হাজার ৮০০টির বেশি এবং শেয়ার হয়েছে ৮১২ বার। প্রতিক্রিয়ার ধরন দেখলে বোঝা যায়, অধিকাংশই সমালোচনামূলক।
\r\nরিয়্যাকশনের পরিসংখ্যান: ‘হা হা’ রিয়্যাক্ট: ২৩,১০০, লাইক: ১১,৫০০, লাভ (ভালোবাসা): ২,১০০, দুঃখপ্রকাশ: ১,২০০
\r\nমন্তব্যগুলোর বড় অংশই নেতিবাচক। সমালোচকদের অনেকেই সালাহউদ্দিনের বক্তব্যকে ‘বেফাঁস’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ তাঁর অতীত ভারতে অবস্থানের বিষয়টি টেনে কটাক্ষ করেছেন।
\r\nএকজন বিএনপি কর্মী পরিচয় দেওয়া শাহীন লিখেছেন, “১৭ বছর কী করুণ কষ্ট করেছি, সালাহউদ্দিন ভাই সেটা বোঝেন না। সিনিয়র নেতাদের জন্য আবারও সেই কষ্টে পড়তে চাই না।”
\r\nআরেকজন, আবিদুর রহমান, আবেগভরা মন্তব্যে লেখেন, “ধানক্ষেত আর পাটক্ষেতে ঘুমানোর কথা কীভাবে ভুলবো, সালাহউদ্দিন ভাই?”
\r\nসামাজিক মাধ্যমে আলোচিত আরও কয়েকটি মন্তব্য: “ভারতে দীর্ঘ সময় থাকার দায় শোধ করছেন সালাহউদ্দিন ভাই।” – নুরুল আফসার, “অতিরিক্ত কথা বলা থেকে বিরত থাকুন, এতে দেশ, দল এবং আমরা সবাই রক্ষা পাবো।” – মোহাম্মদউল্লাহ বিন হাফিজ, “এ মুহূর্তে দেশে ড. ইউনূসের বিকল্প খুঁজছেন নারায়ণগঞ্জের জাকির হোসেন।” – আফজার আহমেদ
\r\nএদিকে, বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো এই বিতর্কিত মন্তব্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে, বিশ্লেষকরা বলছেন, দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতার এমন বক্তব্য দলের ভিতরে ও বাইরে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।





