আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়ে নিজ অপরাধ স্বীকার করেছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। আন্দোলন দমন করতে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করে ছাত্র ও সাধারণ মানুষকে হত্যার ঘটনায় লজ্জিত, অনুতপ্ত ও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তিনি।
তবে সাবেক এই পুলিশপ্রধানের ক্ষমা মিলবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে আদালত—বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “সাবেক আইজিপি নিজ বিবেকের তাড়নায় অপরাধ স্বীকার করেছেন। এমনকি তিনি নিজ থেকেই রাজসাক্ষী হতে চেয়েছেন। তার বিষয়ে আদালত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে প্রসিকিউশনের কোনও ভূমিকা নেই।”
তিনি আরও বলেন, “সাবেক আইজিপির দেওয়া সাক্ষ্য শুধু নির্দিষ্ট একটি ঘটনার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, এটি গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে সংঘটিত গুম-খুনসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে একটি অকাট্য ও অপ্রতিরোধ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে। বিশ্বের কোনো আদালতেই এই সাক্ষ্য দুর্বল হিসেবে প্রমাণের সুযোগ নেই।”
এর আগে, আলোচিত জুলাই হত্যা মামলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক আইজিপি মামুন। এদিন তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। আগামীকাল (বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর) এ মামলায় জেরা অনুষ্ঠিত হবে।





