সরকার প্রণীত ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’–কে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে তা স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। দলটির আমির মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অনিয়ম, জবাবদিহিহীনতা ও জনসেবা থেকে বিচ্যুতির প্রেক্ষাপটে এই সংস্কার সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয়।

\r\n

মঙ্গলবার দলটির মিডিয়া সমন্বয়ক হাসান জুনাইদ প্রদত্ত বিবৃতিতে তারা বলেন, “সুশাসিত রাষ্ট্র গঠনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধ অপরিহার্য। এই উদ্দেশ্যে প্রশাসনিক কাঠামোতে যে সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা নীতিগতভাবে ইতিবাচক।”

\r\n

তবে একই সঙ্গে তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন সচিবালয়ে চলমান কর্মবিরতি ও অচলাবস্থা নিয়ে। বিবৃতিতে তারা বলেন, “রাষ্ট্রের প্রাণকেন্দ্রে এ ধরনের স্থবিরতা পুরো প্রশাসন ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা রাষ্ট্রযন্ত্রে অঙ্গহানির মতো ঘটনা।”

\r\n

আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দলীয় শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেন, “আপনারা জনগণের প্রত্যাশা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিন। অচলাবস্থা থেকে সরে এসে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করুন।”

\r\n

একইসঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকেও সংবেদনশীলতার সঙ্গে বিষয়টি দেখার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, “উত্থাপিত উদ্বেগগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে হবে।”

\r\n

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, “বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনে করে, রাষ্ট্রের অগ্রগতির স্বার্থে প্রশাসনিক সংস্কার প্রয়োজন, তবে সেটি হতে হবে বাস্তবভিত্তিক ও অংশগ্রহণমূলক।”