বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “কেউ সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বললেই তা বাতিল হয়ে যায় না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধনই নিয়ম।”
শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেলে নীলফামারীর চৌরঙ্গীতে এক পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বর্তমান সংবিধান ‘ছুড়ে ফেলার’ দাবি জানালে এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, “সংবিধান গণতন্ত্রের ভিত্তি। এর কোনো অংশ সংস্কার করা যেতে পারে, কিন্তু ছুড়ে ফেলার কথা বললেই তা বাতিল হয় না।”
দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি জানান, “ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। কেউ অনৈতিক বা সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ালে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “সম্প্রতি দলের ভাবমূর্তি নষ্টকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় ৪ থেকে ৫ হাজার নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় নেওয়া হয়েছে। বনানীতে যুবদলের এক নেতা নারীদের ওপর হামলার ঘটনায় ওই ব্যক্তিকে ঘটনার পরপরই বহিষ্কার করা হয়েছে।”
বিএনপি কখনো সন্ত্রাসবাদ বা মাফিয়াতন্ত্রকে প্রশ্রয় দেয়নি দাবি করে রিজভী বলেন, “দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো আপস করা হচ্ছে না। আমরা গঠনমূলক সংস্কারের মধ্য দিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করছি।”
তিনি বলেন, “গণতন্ত্রের নামে যারা স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়, জনগণ তাদের উদ্দেশ্য ইতোমধ্যে বুঝে ফেলেছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ কার পক্ষে তা পরিষ্কার হয়ে যাবে।”





