শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলে ভোট দেওয়ার পর আঙুলে মার্কার দিয়ে দাগ না দেওয়ার এবং ছবিসহ ভোটার তালিকা না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। এই কেন্দ্রের জাকসু ও হল সংসদ ভোট প্রায় ২৩ মিনিটের জন্য বন্ধ থাকলেও বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
ভোটকেন্দ্রে বিক্ষোভরত বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলসহ কয়েকটি নতুন হলে শিক্ষার্থীদের পুরোনো আইডি কার্ড বাতিল করে নতুন করে আইডি কার্ড বানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পর্যাপ্ত সময় না থাকায় শিক্ষার্থীরা হল ইনডেক্স কার্ড ব্যবহার করে ভোট দিতে বাধ্য হয়েছেন। এই কার্ডে চাইলে আগের ছবি তুলেও আঠা দিয়ে নতুন ছবি বসানো সম্ভব। এছাড়া ভোটার তালিকাতেও অনার্সের শিক্ষার্থীদের নাম থাকলেও ছবি ছিল না। এ কারণে আমরা প্রতিবাদ করেছি।”
রিটার্নিং কর্মকর্তা আলমগীর কবির বলেন, “বেলা ১১টা ৫২ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। এখন আবার স্বাভাবিকভাবে ভোট নেওয়া হচ্ছে। নির্দেশনায় ছবিসহ ভোটার তালিকা রাখা বাধ্যতামূলক ছিল না। ইনডেক্স কার্ড বা লাইব্রেরি কার্ড দেখেই ভোট দেওয়া সম্ভব। তবে শিক্ষার্থীদের দাবির পর তালিকার সফট কপি এনে দেওয়া হয়েছে।”
জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধিতে এ ধরনের বিশেষ নির্দেশনা নেই। সেন্ট্রাল মনিটরিং দলের সদস্য সালেহ আহমদ খান প্রথম আলোর সঙ্গে বলেন, “ছবিসহ ভোটার তালিকা না থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করেছেন। সফট কপি পাঠানোর পর এখন ভোট নির্বিঘ্নে নেওয়া হচ্ছে। এ সময় আগে পড়া ১৫৩টি ভোট আলাদা রাখা হয়েছে। পরে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের ডেকে যাচাই করা হবে।”
\r\n\r\n\r\n\r\n
এর আগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল কেন্দ্রে ভোটারদের আঙুলে মার্কার দিয়ে দাগ না দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্যসচিব একেএম রাশিদুল আলম বলেন, “সব হলেই ভোটারদের ভোট দেওয়ার পর আঙুলে কালি দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে অমোচনীয় কালি দেওয়ার জন্য দুটি করে কলম রাখা হয়েছে। কেন কিছু কেন্দ্রে দেওয়া হয়নি, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে।”





