শাহরুখ খান ও কাজলের ব্লকবাস্টার ‘বাজিগর’ বলিউডে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করে শাহরুখ নজির স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু জানা যায়, প্রথমে এই চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ ছিল সালমান খানের হাতে। সালমান তখন কিং খানের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
একটি পুরনো সাক্ষাৎকারে সালমান জানান, তিনি ‘বাজিগর’ না করার সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে সঞ্জয় লীলা বনসালির ‘দেবদাস’-ও প্রথমে তাকে অফার করা হয়েছিল, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। পরে এই সুযোগ চলে যায় শাহরুখ খানের কাছে। সালমান বলেন, ব্লকবাস্টার এই ছবিটি প্রত্যাখ্যান করার জন্য তিনি কোনো অনুশোচনা অনুভব করেন না।
সালমানের কথায়, তিনি এমন চরিত্র বেছে নিতে চেয়েছিলেন যা তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। তিনি মনে করেন একজন অভিনেতা হিসেবে সমাজ ও তরুণদের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করা উচিত। ‘রাধে’-এর দর্শকদেরও তিনি সতর্ক করেছিলেন যেন তারা তার ভুল থেকে শিক্ষা নেয়।
প্রভাব ও পরিবর্তিত ভাগ্য
সালমানের এই প্রত্যাখ্যান শাহরুখের জন্য এক বড় সুযোগ হিসেবে পরিণত হয়। ‘বাজিগর’ তাকে বলিউডের খলনায়ক থেকে সুপারস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত সালমানের ব্যক্তিগত নীতি ও সামাজিক দায়িত্বের পরিচায়ক।
আগামী পরিকল্পনা
বলেন, তিনি সবসময় এমন প্রজেক্ট বেছে নেন যা তরুণদের অনুপ্রাণিত করবে। বলিউডে এই ধরনের নীতি ও প্রক্রিয়ার প্রভাব আজও নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের জন্য উদাহরণ হয়ে আছে।
চাইলে আমি এই খবরটিকে আরও বিশ্লেষণাত্মক করে “বলিউডে ভাগ্যের মোড়: শাহরুখ ও সালমানের সুযোগ ও সিদ্ধান্ত” শিরোনামে আরও বড় নিউজ রিপোর্টের আকারে তৈরি করতে পারি। আপনি কি আমি সেটা করবো?





