পশ্চিম ইউক্রেনের টেরনোপিল শহরে একটি আবাসিক ভবনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১৯ জন নিহত এবং আরও ৬৬ জন আহত হয়েছেন। বুধবার ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রয়টার্স জানায়, হামলায় মূলত জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো লক্ষ্য করা হয়েছিল। হামলার ফলে হিমশীতল তাপমাত্রার মধ্যেই কয়েকটি অঞ্চলে জরুরি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। টেরনোপিলের আবাসিক ভবনের ওপরের তলাগুলো ধসে পড়ে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাতভর রাশিয়া ৪৭০টিরও বেশি ড্রোন এবং ৪৮টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পরিস্থিতির কারণে পশ্চিম ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ডের রেজেসো ও লুবলিন বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পোলিশ ও ন্যাটো বিমান মোতায়েন করা হয়েছে।
ইউক্রেনীয় নেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, টেরনোপিলে বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়তে পারেন। তিনি মিত্র দেশগুলোকে রাশিয়ার ওপর চাপ বৃদ্ধির আহ্বান জানান, যাতে চার বছর ধরে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো যায়। জেলেনস্কি বলেন, “সাধারণ জীবনের বিরুদ্ধে প্রতিটি নির্লজ্জ হামলা প্রমাণ করে, রাশিয়ার ওপর চাপ এখনও অপর্যাপ্ত। কার্যকর নিষেধাজ্ঞা এবং সমর্থনই পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারে।”
ইউক্রেনীয় জ্বালানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় সাতটি অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ পরিমাণ এখনো নির্ধারিত নয়। দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।





