বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হলে পলাতক ফ্যাসিস্ট চক্রের পুনর্বাসনের পথ সুগম হবে। এজন্য তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
গতকাল রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল, গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মিলন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলসহ দলটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন ও আন্দোলন নিয়ে রাজপথের কিছু সহযোদ্ধা রাজনৈতিক দলের সদস্যদের বক্তব্য গণতন্ত্রকামী মানুষের মনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তিনি মনে করেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান।
তিনি বলেন, “একাত্তর ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ হলো স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ। এখন অহেতুক বিতর্ক নয়, প্রয়োজন ঐক্য। গণতান্ত্রিক ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্যেই শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ সম্ভব।”
চলমান রাজনীতি নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, কথার রাজনীতি নয়, এখন সময় কাজের রাজনীতি করার। প্রতিশোধ কিংবা প্রতিহিংসার জায়গা থেকে সরে এসে বাস্তবধর্মী পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
ভবিষ্যতের রাজনৈতিক লক্ষ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির আগামী দিনের রাজনীতি হবে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের রাজনীতি—দেশে হোক কিংবা বিদেশে, যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে, থাকবে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ।





