পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ। তিনি আওয়ামী লীগ শাসনামলে রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খেলাফত মজলিশের হয়ে জোটের মনোনয়ন পেয়েছেন।


\r\n

জোট সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে জোটের সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। তবে ১১ দলীয় জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বের হয়ে যাওয়ায় ডা. জহিরকে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়। পারিবারিক ঐতিহ্য এবং উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন এলাকায় সুনামের কারণে তাঁর গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।


\r\n

ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমাকে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী করা হয়েছে। আমি নির্বাচনে অংশ নেব। ছাত্রজীবন থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। দীর্ঘ ১৯ বছর বিদেশে থাকার পর ২০১৯ সালে দেশে এসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছিলাম। পরবর্তী উপজেলা নির্বাচনে তৎকালীন এমপি-মন্ত্রী আমাকে নির্বাচন করতে দেননি। পরে তিনি আমাকে উপদেষ্টা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু আমি তা রাজি হইনি। একজন এমপি-মন্ত্রী দলের পদ দিতে পারেন না; এর জন্য জেলা কমিটি বা কাউন্সিলের অনুমোদন প্রয়োজন।”


\r\n

জেলা জামায়াতের আমির মো. নাজমুল আহসান বলেন, “ডা. জহির উদ্দিন আহমেদকে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী করা হয়েছে। এটি জোটের সিদ্ধান্ত এবং আমরা তাঁকে পূর্ণ সহযোগিতা দেব।”


\r\n

গণমাধ্যম লিক অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ মে রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্যাডে তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান এবং রাঙ্গাবালী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মু. সাইদুজ্জামান মামুন খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ডা. জহির উদ্দিন আহমেদকে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মজিবুর রহমানের অভিপ্রায় অনুযায়ী তাকে উপদেষ্টা পদে মনোনীত করা হলো।