ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনে যশোর-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ইসহক, জহুরুল ইসলাম ও মেহেদী হাসানের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে ত্রুটি ধরা পড়েছে।
যশোর-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন না থাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তির মনোনয়নপত্রও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আশেক হাসান জানান, জামায়াতের প্রার্থী মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের মনোনয়নপত্র বাতিলের কারণ হলো ২০ বছর আগের একটি ক্রেডিট কার্ড বকেয়া থাকা। যদিও তিনি বকেয়া পরিশোধের প্রমাণপত্র জমা দিয়েছেন, তা যথাসময়ে যাচাই না হওয়ায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। প্রার্থী আদালতে আপিল করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে প্রার্থিতা পুনর্বহাল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
যশোর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহক দলীয় মনোনয়ন না থাকায় বাতিল হয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান ও জহুরুল হকের স্বাক্ষরে ত্রুটি ধরা পড়ায় তাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এ আসনের অন্য প্রার্থীদের মধ্যে শাসছুল হকের মনোনয়ন পেন্ডিং রাখা হয়েছে, আর জাপা প্রার্থী ফিরোজ শাহের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
যশোর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের প্রার্থিতা পেন্ডিং রাখা হয়েছে। তার প্রার্থিতা চূড়ান্ত করতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য সংশোধন করতে হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান জহির ও শাজাহান গোলদারের মনোনয়নও পেন্ডিং আছে। তাদের সংশোধনের জন্য ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আশেক হাসান জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে তাদের মনোনয়ন ফিরে পাবেন।





