জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা-তে পরকীয়া সন্দেহকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী আব্দুল বারী ওরফে সাইদুর (৫৫) পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


শনিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার এলতা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খালেদা (৩৫) একই গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুল বারী ওরফে সাইদুরের দ্বিতীয় স্ত্রী।


স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই যুগ আগে কালাই উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আব্দুল বারী ওরফে সাইদুরের সঙ্গে খালেদার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।


শনিবার দুপুরে স্ত্রীর মোবাইল ফোনে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার সন্দেহে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে মারধর এবং স্ত্রীর স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও ওঠে। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িক শান্ত হয়।


তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই রাতের গভীরে আনুমানিক ভোর ৩টার দিকে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে স্বামী পালিয়ে যান।


কালাই থানার ওসি (তদন্ত) দীপেন্দ্রনাথ সিংহ জানান, মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সন্দেহের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।