আগামী ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। বৃহস্পতিবার এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রথম দফায় দেশের ৩৩০টি টাউনশিপের মধ্যে ১০২টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দেশজুড়ে সহিংসতা ও সংঘর্ষের মধ্যে এই ঘোষণা এল।
\r\nদীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ১৮ আগস্ট মিয়ানমারের নির্বাচন কমিশন ভোটের তারিখ ঘোষণা করে। জানানো হয়, ২৮ ডিসেম্বর থেকে ধাপে ধাপে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। তবে পুরো নির্বাচনের সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
\r\nপ্রথম দফায় যেসব এলাকায় ভোট হবে, তার মধ্যে রয়েছে রাজধানী নেপিডোর সব টাউনশিপ এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র ইয়াঙ্গুনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এলাকা। এইসব অঞ্চলে বসবাস করে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ।
\r\nতবে যেখানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষ চলছে, সেসব এলাকায় ভোট আয়োজন অনিশ্চিত। যেমন, রাখাইন রাজ্যের ১৭টি টাউনশিপের মধ্যে মাত্র ৩টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই রাজ্যের বেশিরভাগ অংশই আরাকান আর্মির (এএ) নিয়ন্ত্রণে।
\r\n২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। সেই সময় থেকে সু চিকে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে।
\r\nজাতিসংঘের একজন বিশেষজ্ঞ মিয়ানমারের আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রতারণা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তার দাবি, সামরিক শাসনের চেহারা পাল্টে বৈধতা দিতেই এই নির্বাচনের আয়োজন করছে জান্তা সরকার।
\r\nএদিকে, নির্বাচনের বিরুদ্ধে কথা বলা বা বিক্ষোভ করার জন্য ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান জারি করেছে সরকার।





