বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে বেকার ভাতা না দিয়ে যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, দেশবাসী, বিশেষ করে যুবসমাজ এবং নারীরা আর বস্তাপচা রাজনীতি দেখতে চান না।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে ১১ দলীয় নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে নারীরা ভোট দেওয়ার সময় নিরাপত্তার দিকটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। তিনি অতীতের সরকারের সমালোচনা করে বলেন, “সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে দাঁড়িপাল্লা (সমতার প্রতীক) যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল, তা তারা সহ্য করতে পারেনি। তাই একসময় দাঁড়িপাল্লাকে ‘গুম’ করা হয়েছিল।”

জনসভায় জামায়াতের আমির শহীদ আবরার ফাহাদ, শহীদ হাদী এবং জুলাই শহীদদের স্মরণ করে বলেন, “তাদের শারীরিক উপস্থিতি না থাকলেও আদর্শে কোটি বিপ্লবী জন্ম নিয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী যেন এক একজন আবরার ফাহাদ, এক একজন হাদী হয়ে ওঠে।”

কুষ্টিয়া অঞ্চলের নদী মরুকরণ ও নদী খননের দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “নদী আমাদের কোলের সন্তানের মতো। এর যত্ন আমাদের অবশ্যই নিতে হবে। নদীর ওপর নির্ভর করে দেশের ভূ-প্রকৃতি, কৃষি ও অর্থনীতি, কিন্তু আমরা তিলে তিলে এই নদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছি।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের পর আমাদের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী মামলা মাত্র আটটি, যেখানে সর্বাধিক আসনে এক থেকে দুজন। অন্যদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী শত শত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জনসভায় জামায়াতের আমির কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনের ১১ দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের হাতে দাঁড়িপাল্লা তুলে দেন।