ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও চিন্তাবিদ হাসান রহিমপুর আজঘাদি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যেভাবে আটক করা হয়েছিল, একইভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও আটক করে বিচারের আওতায় আনা উচিত।


\r\n

ইরানি সংবাদমাধ্যম -এর এক প্রতিবেদনে আজঘাদির বরাতে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত ও আগ্রাসী অবস্থানের বিষয়ে বিশ্বনেতারা নীরব থাকলেও ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।


\r\n

তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালীন কিংবা শাসনকাল শেষ হওয়ার পর ট্রাম্পকে আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহির মুখোমুখি করা প্রয়োজন।


\r\n

এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে এবং ওই বিক্ষোভে ওয়াশিংটনের অবস্থানকে কেন্দ্র করে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।


\r\n

এরই মধ্যে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেন, ১৯৭৯ সালে যেভাবে ইরানে রাজতন্ত্রের পতন হয়েছিল, একইভাবে ‘অহংকারী’ ট্রাম্পও পতনের মুখে পড়তে পারেন।


\r\n

তিনি ট্রাম্পকে নিজের দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কিছু উসকানিদাতা সরকারি সম্পদ ধ্বংস করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে খুশি করার চেষ্টা করছে।


\r\n

খামেনি আরও বলেন, শত শত মানুষের আত্মত্যাগের মাধ্যমে ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং যারা এই রাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে চায়, তাদের কাছে কখনো মাথানত করবে না ইরান।


\r\n

উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালানো হলে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। পাল্টাপাল্টি এসব বক্তব্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের মধ্যে।