আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির অন্যতম দায়িত্ব হলো দেশের প্রতিটি ভোটারের আস্থা নিশ্চিত করা বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিএনপি এখন গ্রাম থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও মজবুত করছে এবং তরুণ প্রজন্মসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছাতে কাজ করছে। এর মাধ্যমে দলটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

তারেক রহমান জানান, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগে ইতোমধ্যে সাত হাজারেরও বেশি নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন, কেউ পদ হারিয়েছেন। তার ভাষায়, “শৃঙ্খলা দুর্বলতা নয়, সেটিই আমাদের শক্তি। নিজেদের দায়বদ্ধ করার মাধ্যমেই প্রমাণ হয় বিএনপি সততার ব্যাপারে আন্তরিক।”

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সব সময় নিজেকে আধুনিকায়নের চেষ্টা করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন ও ডিজিটাল উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দিয়ে ৩১ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে দলীয় নীতিমালা তৈরি হয়েছে। তরুণ ও নারীদের নেতৃত্বে আনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দলের লক্ষ্য হলো শৃঙ্খলাবদ্ধ, ভবিষ্যতমুখী ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তরুণরা বাস্তব সুযোগ চায়, জনগণ স্থিতিশীলতা চায়, আর বিশ্ব বাংলাদেশকে একটি বিশ্বাসযোগ্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়—এই প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

সহকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, “আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি, শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকি এবং জনগণের সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকি। তাহলেই গণতন্ত্রের পথ আরও উজ্জ্বল হবে।”