ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক কারখানা শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও পর্যালোচনা করে তাদের বুধবার রাতে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ছয়জনকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হবে।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন:
মাদারীপুর জেলার শিবচর এলাকার মো. মাসুম খালাসী (২২),
নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার সেলিম মিয়া (২২),
ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দার মো. শামীম মিয়া (২৮),
ময়মনসিংহ সদরের নূর আলম (৩৩),
ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গি থানার রুহুল আমিন (৪২),
সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার তাকবির (২২)।
নিহত দিপু চন্দ্র দাস (২৭) ভালুকার জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেডের শ্রমিক ছিলেন। তিনি তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে গণপিটুনিতে দিপু মারা যান। নিহতের মরদেহ নিয়ে উত্তেজিত জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে এবং মরদেহে অগ্নিসংযোগ করে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জনতাকে শান্ত করে মরদেহ উদ্ধার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। এই ঘটনায় ভালুকা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয়ধারী ১৪০–১৫০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও ভালুকা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে, ইতিমধ্যে ভালুকার হবিরবাড়ী এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে তিনজন, শনিবার রাতে দুজন এবং বুধবার রাতে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, গ্রেপ্তাররা হত্যাকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে উসকানি দিয়ে মব তৈরি এবং মরদেহে আগুন দেওয়ার বিষয়ে সরাসরি জড়িত। গ্রেপ্তারদের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।





