দক্ষিণ-পূর্ব সুদানের ব্লু নাইল রাজ্যের আদ-দামাজিনের বাস্তুচ্যুত শিবিরগুলোতে যুদ্ধ ও মানবিক সংকট নারীদের জীবনযাত্রা সম্পূর্ণ পরিবর্তন করেছে। রাশা নামের এক মা পুরুষদের কাজ সম্পর্কে প্রথাগত ধারণা উপেক্ষা করে কাঠুরিয়ার কাজ শুরু করেছেন, যাতে তিনি তার সন্তানদের খাওয়াতে পারেন।
“ছুতার কাজ কঠিন, কিন্তু কুঠারটি আমার হাতের একাংশে পরিণত হয়েছে। আর কোন বিকল্প নেই,” রাশা আল জাজিরাকে বলেছেন। তার মতো হাজার হাজার নারী পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী হয়ে কঠোর শ্রম করছেন, যাতে খাবার ও জীবনযাত্রার মৌলিক চাহিদা পূরণ করা যায়।
সুদানে তিন বছর ধরে চলা লড়াই এবং সংঘাতের কারণে ১ কোটি ৩৬ লক্ষেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ৪৬.৮ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের মানবিক সহায়তার প্রয়োজন। বিশেষ করে দারফুর ও কর্দোফান অঞ্চলে তীব্র খাদ্য ঘাটতি এবং পুষ্টি সংকট দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে সুদানের স্কুল বন্ধের সময়কাল COVID-19 মহামারীকেও ছাড়িয়ে গেছে। ৮০ লক্ষেরও বেশি শিশু শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। বিশেষ করে সংঘাতপূর্ণ এলাকায় মাত্র কয়েকটি স্কুল চালু রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে নারীদের জন্য বিকল্প নেই-তারা ঐতিহ্যবাহী সামাজিক নিয়ম ভেঙে কাজ করতে বাধ্য, নয়তো ক্ষুধার কাছে হার মানতে হবে। “যুদ্ধ কোনও শিশু, মহিলা বা বৃদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করে না। দুর্দশার ক্ষেত্রে সকলেই সমান।
সোর্স- আল জাজিরা





