একটি দল জাতীয়তাবাদের কথা বললেও বিদেশি নাগরিকদের প্রার্থী করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, নির্বাচন এলেই কিছু বিদেশি নাগরিক অতিথি পাখির মতো বাংলাদেশে আসে, নির্বাচন শেষ হলে আবার বিদেশে চলে যায়।


\r\n

রোববার সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর বিসিক বাসস্ট্যান্ডে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


\r\n

এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, শাহজাদপুর একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল হলেও দীর্ঘদিন ধরে এখানকার তাঁতশিল্পের শ্রমিকরা তাদের পরিশ্রমের ন্যায্য মূল্য পাননি। তিনি বলেন, “মধ্যস্বত্বভোগীরা শ্রমিকদের ঘাম ঝরানো ফসল ভোগ করেছে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, নতুন বাংলাদেশে যার পরিশ্রম সে-ই তার মূল্য পাবে।” তিনি দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও দখলবাজমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।


\r\n

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, দলটি ক্ষমতায় গেলে নিয়মিত সেনাসদস্যদের প্রশিক্ষণের মান ও পরিমাণ বাড়ানো হবে। তিনি অভিযোগ করেন, আগ্রাসনের ঘটনায় একটি বড় দল নীরব থেকেছে। তিনি বলেন, “আমরা বিদেশি নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের সংসদে পাঠাব না। যারা নির্বাচনে না জিতলে অতিথি পাখির মতো বিদেশে চলে যাবে, তাদের ভোট দেব না।”


\r\n

হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদী শাসন যেন আর ফিরে না আসে, সে জন্য হ্যাঁ ভোটকে বিজয়ী করতে হবে।”


\r\n

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ অভিযোগ করেন, সংস্কারের বিরোধিতা করা হয়েছে এবং শাহজাদপুরে একজন লন্ডনফেরত বিদেশি নাগরিক প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা রাজপথ থেকে উঠে আসা মানুষ। দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”


\r\n

এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মনিরা শারমিন বলেন, একটি দল বিদেশি নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের সংসদে পাঠানোর চেষ্টা করছে। তার দাবি, “এরা সংসদে গেলে দেশের স্বার্থে নয়, নিজেদের স্বার্থে আইন প্রণয়ন করবে।”


\r\n

পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মাহিন সরকার। তিনি দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসন নিশ্চিত করতে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।


\r\n

এ সময় জাতীয় যুব শক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ইয়াছিন আরাফাত, শাহজাদপুর উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।