মানিকগঞ্জ-১ (শিবালয়-ঘিওর-দৌলতপুর) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নোটিশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দৌলতপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. আল-আমিন হোসেনকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শোকজ পাওয়া নেতারা হলেন- দৌলতপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রজ্জব আলী ও আবদুল মজিদ, শিবালয় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সেলিম রেজা, যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ হোসেন, মোহাম্মদ জামাল খান ও সদস্য স্বর্ণকুমার শীল, ঘিওর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ও জুয়েল হোসেন এবং পাটুরিয়া ঘাট শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. কবির হোসেন।
নোটিশে বলা হয়, সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকেও অভিযুক্ত নেতারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা না চালিয়ে বহিষ্কৃত ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে নিয়মিত প্রচারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. জিন্নাহ খান, সদস্যসচিব মো. রকিবুর রহমান ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নাদিম হোসেনের কাছে সশরীর হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে আলাদা চিঠিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত মো. আল-আমিন হোসেনের সঙ্গে সংগঠনের কোনো পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর। এ আসনে দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী তোজাম্মেল হকসহ মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্য প্রার্থীরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর আবু বকর সিদ্দিক, গণ অধিকার পরিষদের মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুছাইন, জনতার দলের মোহাম্মদ শাজাহান খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খোরশেদ আলম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল আলী ব্যাপারী।