গত ১৫ বছরে দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। তিনি বলেন, বিএনপি কোনো বাধ্যগত বা কৃত্রিম ঐক্য নয়, বরং গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ভিত্তিতে গঠিত একটি বাস্তবসম্মত পরিবর্তন চায়।

\r\n

শনিবার (২৪ মে) রাজধানীতে আয়োজিত ‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

\r\n

মঈন খান বলেন, “মাত্র ৯ মাসের ব্যবধানে দেশে এই সংকট কেন তৈরি হলো, তা সকলের ভাবার সময় এসেছে। ১৮ কোটি মানুষের সামনে এখন একটাই সমাধান—গণতন্ত্রের উত্তরণ। এর বাইরে কোনো বিকল্প নেই।”

\r\n

তিনি অভিযোগ করেন, বিগত দেড় দশকে দেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হওয়ায় গণতান্ত্রিক ধারার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। “এক সময় বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো। এখনও যদি সেই অবস্থা বহাল থাকে, তাহলে আমরা কোন পরিবর্তনের কথা বলছি?”—প্রশ্ন রাখেন তিনি।

\r\n

বিএনপির নির্বাচনের দাবি নিয়ে সমালোচনার জবাবে মঈন খান বলেন, “নির্বাচন চাওয়াটা কোনো অপরাধ নয়। বিএনপি যেকোনো সিদ্ধান্তের আগে জনগণের মতামত ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়। আমরা পরিবর্তন চাই—কিন্তু সেই পরিবর্তন কেমন হবে, তা আগে স্পষ্ট করতে হবে।”

\r\n

তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়গুলো মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সব বিষয়ে সবাই একমত হবেন না—এটাই স্বাভাবিক। মতপার্থক্যই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু বৈচিত্র্য ভুলে একরৈখিক ঐক্য চাপিয়ে দিতে গেলে তা স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করে।”

\r\n

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ছাড়া গণতন্ত্র সম্ভব নয়। বিচার বিভাগ স্বাধীন না হলে, তা কেবল গণতন্ত্রের মুখোশ মাত্র।”