মিরর নিউজ ২৪ অনলাইন থেকে মুদ্রিত | mirrornews24.com
বিভাগ: অর্থনীতি
তারিখ: ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
লেখক: নিউজ ডেস্ক
বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি
বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের পরও ডব্লিউটিওর ইআইএফ সুবিধা উপভোগ করবে
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
পড়ার সময়: 2 মিনিট
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) নিশ্চিত করেছে, ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশ পর্যাপ্ত কারিগরি সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ পাবেন।
ডব্লিউটিওর উপ-মহাপরিচালক শিয়াংচেন ঝাং বার্তা সংস্থা বাসসকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ডব্লিউটিওর কারিগরি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম থেকে উপকৃত হচ্ছে এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও এই সুবিধা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ডব্লিউটিও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নয়নশীল অর্থনীতির বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
ডব্লিউটিওর এনহ্যান্সড ইন্টিগ্রেটেড ফ্রেমওয়ার্ক (ইআইএফ) সম্পর্কেও তিনি জানান, বাংলাদেশ ইআইএফ-এর প্রধান সুবিধাভোগী, যা এলডিসি দেশগুলোকে বৈশ্বিক বাণিজ্যে সক্রিয় অংশগ্রহণে সহায়তা করে। এলডিসি উত্তরণের পরও বাংলাদেশ আরও পাঁচ বছর ইআইএফ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। ইআইএফের সহায়তায় বাংলাদেশ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তৈরি পোশাক খাতে মূল্য শৃঙ্খলে বৈচিত্র্য আনার কৌশল গ্রহণ করেছে।
অর্থনৈতিক সহায়তার বিষয়ে ঝাং বলেন, বাংলাদেশ ডব্লিউটিওর ‘এইড ফর ট্রেড ইনিশিয়েটিভ’-এর উল্লেখযোগ্য সুবিধাভোগী। ২০০৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশটি শীর্ষ দশ সুবিধাভোগীর মধ্যে ছিল এবং এ সময়ে ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পেয়েছে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ডব্লিউটিও সংক্রান্ত শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো বজায় রেখেছে, বিশেষ করে বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটে (বিএফটিআই) একটি ডব্লিউটিও রেফারেন্স সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে ডব্লিউটিওতে তার সম্পৃক্ততার কৌশল। এর আগে বাংলাদেশ এলডিসি গ্রুপের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণ করত। উত্তরণের পর দেশটিকে বিভিন্ন স্তরের উন্নয়নশীল ডব্লিউটিও সদস্যদের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক তৈরি করতে হবে।
বাংলাদেশ ১৯৯৫ সাল থেকে ডব্লিউটিওর সদস্য এবং ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের মাধ্যমে দেশের বাণিজ্য নীতিতে নতুন চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ তৈরি হবে। দেশটি বৈশ্বিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ ও সহজীকরণের মাধ্যমে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক পরিচালনা করবে এবং রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ ও আঞ্চলিক চুক্তি যেমন রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি)-এ যোগদানের সুযোগ অন্বেষণ করবে।