বগুড়া প্রতিনিধি: জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সমাজ বগুড়ার উদ্যোগে আফ্রো-এশিয়ার মজলুম জননেতা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ৪৯তম মৃত্যু বার্ষিকী স্মরণে সোমবার সিনিয়র সাংবাদিক মহসিন আলী রাজুর সভাপতিত্বে ও সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলারের সঞ্চালনায় সাতমাথায় অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বগুড়া প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজাউল হাসান রানু।
সভায় মজলুম জননেতা আব্দুল হামিদ খান ভাষানীর কর্মজীবন ও অবদানের উপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন- সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রশিদ শাইন, বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভির আলম রিমন, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল হক বাবু, সিনিয়র সদস্য ইনছান আলী শেখ, বজলুর রশিদ সুইট, মির্জা আহসান হাবিব দুলাল, সাপ্তাহিক বাংলা টেলিগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক রায়হান আহম্মেদ রানা, আব্দুস সালাম, বৈশাখী টেলিভিশন বগুড়া জেলা প্রতিনিধি সুমন সরদার, এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার আতিকুর রহমান সোহাগ, এখন টিভির বগুড়া ব্যুরো চীফ মাজেদুর রহমান, দৈনিক মুক্ত জমিন পত্রিকার সিনিয়ন সাংবাদিক আতিকুর রহমান খান মিন্টু, শাহ সাব্বির রহমান, আল-মুমিন, রিয়াদ, মহিউদ্দিন প্রমুখ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে রেজাউল হাসান রানু বলেন, আফ্রো-এশিয়ার মজলুম জননেতা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী ছিলেন নির্লোভ, নিরহংকার, স্বাচ্ছাদেশপ্রেমিক একজন নেতা। তার অবদান অবিস্বণীয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে মাওলানা ভাষানী ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মত দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ খুুঁজে পাওয়া ভার। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মাওলানা ভাষানীর মত একজন নেতার বড়ই প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, আগামী প্রজন্মকে জানানোর জন্য পাঠ্যপুস্তকে মাওলানা ভাসানীর জীবন ও কর্ম সন্নিবেশিত করতে হবে। একই সাথে সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে মাওলানা ভাসানীর স্মৃতিচারণ করা প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মহসিন আলী রাজু বলেন, বর্তমান প্রজন্মের সাংবাদিকদের মাওলানা ভাসানী সম্পর্কে জানা উচিত এবং লেখনীর মাধ্যমে তা জনগণকে জানানো প্রয়োজন। এটাই এখন সময়ের দাবী।





