মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ফিফা ফরোয়ার্ড প্রজেক্টের আওতায় নির্মিত কমলাপুর স্টেডিয়াম ও বাফুফে ভবনের পাশের কৃত্রিম টার্ফ মাঠ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।


প্রসঙ্গত, প্রায় তিন বছর আগে 'সেন্টার ফর এক্সিলেন্স' নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় বাফুফে। শুরুতে কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং এলাকায় ২০ একর জমি পাওয়া গেলেও পরিবেশগত প্রতিবন্ধকতার কারণে পরে সেই জমির বদলে রশিদনগর ইউনিয়নের ধলিরছড়ায় বিকল্প ১৯.১ একর জমি নির্ধারণ করা হয়, যার মধ্যে প্রায় ১৫ একর জায়গা ইতোমধ্যে বাফুফেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।


এই প্রকল্পটি বর্তমানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। অনুমোদন পেলেই মাঠ ও অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু করবে বাফুফে।


আসিফ মাহমুদ বলেন, বিষয়টি এখন ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রক্রিয়াধীন আছে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সমন্বয় করে অনুমোদনের কাজ সম্পন্ন করতে। আশা করছি, সময়মতো কাজ শুরু করা সম্ভব হবে এবং কোনো অনুদান ফেরত যাবে না।


ফেডারেশন প্রতিষ্ঠার ৫৩ বছর পরও বাফুফের নিজস্ব মাঠ নেই। ফিফার অর্থায়নে এই টেকনিক্যাল সেন্টার হলে সেই ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। পরিকল্পনা অনুযায়ী সেন্টারটিতে থাকবে একটি প্রাকৃতিক ঘাসের মাঠ, একটি কৃত্রিম টার্ফ, সুসজ্জিত জিমনেশিয়াম, সুইমিংপুল, ফুটবলারদের আবাসিক সুবিধা এবং একাডেমিক ভবন।


২০২২ সালের জুলাইয়ে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং এলাকায় বন বিভাগ ২০ একর জমি বাফুফের অনুকূলে হস্তান্তর করলেও ইএসআই (এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট) রিপোর্টের কারণে ওই স্থান বাতিল করে নতুন জায়গার প্রস্তাব দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই ধলিরছড়ায় নতুন করে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার ওপর নির্ভর করছে টেকনিক্যাল সেন্টার বাস্তবায়নের ভবিষ্যৎ।