জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
প্রীতিলতা হলে বিকেল পৌনে ৩টা পর্যন্ত ৩৯৯ জন ভোটারের মধ্যে ১৬০ জন ভোট দিয়েছেন। এতে ভোটগ্রহণের প্রথম প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টায় ভোট পড়ার হার দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ১০ শতাংশ।
এবারের নির্বাচনে মোট ১১ হাজার ৮৯৭ জন শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ হাজার ১১৫ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৭২৮ জন। ভোটগ্রহণের জন্য ২১টি কেন্দ্রে মোট ২২৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে।
ছাত্রদের হলের ভোটার সংখ্যা: আল বেরুনী হল ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ ৯৪৭ জন।
ছাত্রীদের হলের ভোটার সংখ্যা: নওয়াব ফয়জুন্নেসা ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর ছাত্রী ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর ছাত্রী ৫৭১ জন, রোকেয়া ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছা ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি ৯৮৩ জন।
কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫টি পদে ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রদের সমর্থিত মিলিয়ে মোট আটটি প্যানেল অংশগ্রহণ করছে। ভোটগ্রহণ হবে ছাত্রদের ১১টি এবং ছাত্রীদের ১০টি হল মিলিয়ে ২১টি কেন্দ্রে।
ভোটগ্রহণের জন্য ৬৭ জন পোলিং অফিসার (শিক্ষক) ও ৬৭ জন সহায়ক পোলিং অফিসার (কর্মকর্তা) দায়িত্বে রয়েছেন। ভোট গণনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে হবে।
\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n
নির্বাচন চলাকালীন ক্যাম্পাসে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৫০০ পুলিশ, সাত প্লাটুন বিজিবি ও পাঁচ প্লাটুন আনসার মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া আনসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছেন যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।





