অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, “নির্বাচনে কোথাও লেভেল ফিল্ড প্লেয়িংয়ের অভাব নেই। আমরা কোনো প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলছি না, জনগণের সঙ্গে কথা বলেছি। জনগণ যেন সমান সুযোগ পায়, সেটা নিশ্চিত হবে। প্রশাসন কোনোভাবেই পক্ষপাতিত্ব করবে না।”
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ছাত্রদলের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও বিষয়ে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “এটি নির্বাচন কমিশন দেখবে। ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচারণা শুরু হবে। এরপর কেউ সভা-সমাবেশ করলে তা নির্বাচন কমিশনের আওতায় থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশকে দ্রুত আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যাওয়া আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যাকে ভোট দিয়েছেন বা অন্য কেউ হোক, সবাইকে সমান অধিকার দিতে হবে। মানুষরা হবে অডিটরের মতো—যেমন নিরীক্ষা করে, টাকা-পয়সার হিসাব চায়, তেমনি জনগণও কাজকর্মের হিসাব চাইবে। এতে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। এটিই ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সবচেয়ে বড় সাফল্য।”
জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান, জেলা পুলিশ সুপার এসপি মো. আবু তারেক, সদর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর মেজর রাহাত খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জসীম উদ্দীন, রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশিদ।





