গত ২৫ জুন 'ঢাকা নিউজ২৪.কম' অনলাইন পোর্টালে ‘বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়ম' শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন ডা. মিলিভা মোজাফফর।

তিনি এক প্রতিবাদ লিপিতে বলেছেন, আমাকে জড়িয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সেখানে আমার গবেষণা প্রবন্ধ ভুয়া, গবেষণার তথ্য জালিয়াতি, অন্যদের গবেষণা থিসিস ব্যবহার করে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের অভিযোগ এবং অধ্যাপক মোজাম্মেল হক তদন্ত কমিটিকে প্রভাবিত করে আমার  সহকারী অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালনের মেয়াদকে ‘নিয়মিত পদে চাকরি’ হিসেবে দেখিয়ে বৈধ করার বিষয়ে যে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে সেটার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

তিনি তার প্রতিবাদ লিপিতে আরো উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল সহযোগী অধ্যাপক পদে আবেদনের জন্য অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে ৪ বছরের \"সক্রিয়\" শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এখানে \"সক্রিয়\" বলতে বোঝায় শ্রেণীকক্ষে শিক্ষাদান অথবা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য কর্তৃপক্ষ কতৃক অনুমোদিত পূর্ণবেতনে শিক্ষাছুটির সময়কালকে বুঝাইবে যদি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক অর্জিত ডিগ্রি সম্পন্ন করিয়া কাজে যোগদান করেন। উল্লেখ থাকে যে ডা. মিলিভা মোজাফফর সহকারী অধ্যাপক হিসাবে সক্রিয় শিক্ষক। 

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিলো না যে সহকারী অধ্যাপক পদে \"নিয়মিত\" ৪ বছর হতে হবে। \"চলতি দ্বায়িত্ব গ্রহণযোগ্য হবে না\" এ বিষয়টির স্পষ্ট উল্লেখ নেই। এমতাবস্থায় আমি ডা. মিলিভা মোজাফফর এর \"নিয়মিত\" ৩ বছর ও \"চলতি দ্বায়িত্ব\" ২ বছর সহ মোট ৫ বছরের সহকারী অধ্যাপক হিসাবে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা রয়েছে। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে \"চলতি দ্বায়িত্ব\" ২ বছর ও \"নিয়মিত\" ৩ বছর সহ মোট ৫ বছরের অভিজ্ঞতা গ্রহণ করার নজির রয়েছে। আমি কোন প্রকার মিথ্যা তথ্য প্রদান করিনি এবং কোন তথ্য গোপন করিনি। উক্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আমার সকল ক্রাইটেরিয়া পূর্ণ রয়েছে। 

আমার গবেষণার বিষয়ে যে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়েছে তা সম্পুর্ন ভুয়া তথ্য। আমার রিসার্চ ইন্টারেস্ট স্কোর ৭৪০+, রিসার্চ সাইটেশন ৫৭৫+ ও এইচ ইন্ডেক্স ৭ রয়েছে যা একটি গুনী রিসার্চারের প্রমাণ। আমার গবেষণাকে ভুয়া ও জালিয়াতি বলে আখ্যায়িত করে সিন্ডিকেট সভায় মনোনীত প্রার্থীকে নিয়োগদানে বাধাদান করছে একটি অশুভ শক্তি। আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য অধ্যাপক ডা. মোজাম্মেল হক স্যারের মতো একজন স্বনামধন্য গবেষক ও চিকিৎসকের নামেও তারা মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে যা মোটেও কাম্য নয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ্য উপাচার্য,  রেজিস্ট্রার মহোদয় সহ সমগ্র প্রশাসনের মানহানি করার অপচেষ্টা করেছে।
শুধু এই নয় এই অশুভ শক্তি বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা খবর প্রচার করে যাচ্ছে ও সাংবাদিক পরিচয়ে ফোন কলে হ্যারাসমেন্ট করছে।

উক্ত ঘটনা আমার জন্য মানহানিকর,  সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার শামিল। এ ব্যাপারটির আশু সুষ্ঠ সমাধান প্রয়োজন।