পাবনা–৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধেও নির্বাচনকে প্রভাবিত করা ও রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সদস্য জীবন মাহমুদ পাবনা–৫ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কথা এবং কোনো প্রার্থী বা দলের পক্ষে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কিংবা অনুদান দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে রোববার (১৮ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে ‘কাতার চ্যারিটি’র অর্থায়নে সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে প্রস্তাবিত ছাত্রাবাসের ভিত্তিপ্রস্তর একটি সমাবেশের মাধ্যমে স্থাপন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এটিকে নির্বাচনী আচরণবিধির ধারা ৪-এর উপধারা (১), (৩) ও (৪)-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন বলা হয়েছে।
এছাড়া নির্বাচনের আগে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পক্ষকে ঘিরে এ ধরনের সমাবেশ ও আনুষ্ঠানিকতা আয়োজন করে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে নির্বাচন প্রভাবিত করার অভিযোগ আনা হয়েছে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধেও।
এ বিষয়ে পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও পাবনা–৫ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। তিনি এলাকার সন্তান হিসেবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র। তার মতে, এ বিষয়ে তথ্যগত ভুল থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানে তারও যাওয়ার কথা ছিল, তবে তিনি যেতে পারেননি।
পাবনা–৫ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান সিভিল জজ আশরাফুল ইসলাম বলেন, তারা অভিযোগটি পেয়েছেন এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পদক্ষেপ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের জানানো হবে বলেও তিনি জানান।





