পাকিস্তানে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১০ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে তারা নিহত হন।
মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের কেচ ও জিয়ারত জেলায় এসব অভিযান চালানো হয়। বুধবার দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন এবং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগ (আইএসপিআর) এই তথ্য নিশ্চিত করে
আইএসপিআর জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কেচ জেলার তুরবাত এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের তীব্র গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। অভিযানে ৩ সন্ত্রাসী নিহত হয় এবং তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
\r\nনিহতরা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা ও বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা-সহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে জানানো হয়।
\r\nঅন্যদিকে, জিয়ারত জেলার ছোটি এলাকায় সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত চালানো আরেক অভিযানে ৭ সন্ত্রাসী নিহত হয়। উপকমিশনার জাকাউল্লাহ দুররানি জানিয়েছেন, সানজাভি ও ছোটির মাঝামাঝি স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে গুলি চালায়।
\r\nপ্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা গুলিবিনিময়ের সময় সন্ত্রাসীরা হ্যান্ড গ্রেনেডও ব্যবহার করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে ৭টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় এবং মরদেহগুলো জিয়ারত জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
\r\nঅভিযানের পর সেনাবাহিনী আশপাশের এলাকায় আরও সন্ত্রাসী থাকার আশঙ্কায় স্যানিটাইজেশন অপারেশন পরিচালনা করেছে।
\r\nসফল অভিযান পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার প্রশংসা করেন এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
\r\nতিনি বলেন, “সন্ত্রাসীরা বেলুচিস্তানের শান্তি ও উন্নয়নের শত্রু। সরকার উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে। জাতি নিরাপত্তা বাহিনীর পাশে আছে।”





