পশ্চিম তীর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আহ্বান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল


\r\n

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে নেতানিয়াহু পশ্চিম তীরের বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়নের পাশাপাশি ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব আরোপের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করবেন। এতে অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচসহ শীর্ষ মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা উপস্থিত থাকবেন।


\r\n

স্মোট্রিচ এরই মধ্যে পশ্চিম তীরের প্রায় ৮২ শতাংশ অঞ্চল ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করার একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। তার প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী, মাত্র ১৮ শতাংশ এলাকায় সীমাবদ্ধ রাখা হবে ছয়টি ফিলিস্তিনি শহর—জেনিন, তুলকারেম, নাবলুস, রামাল্লাহ, জেরিহো ও হেবরন। এতে বেথলেহেমসহ বহু ফিলিস্তিনি এলাকা বাদ পড়ে যাবে।


\r\n

এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ইসরায়েলি সংসদ (নেসেট) ৭১–১৩ ভোটে পশ্চিম তীর সংযুক্তির পক্ষে একটি অ-বাধ্যতামূলক প্রস্তাব পাস করে। ধারণা করা হচ্ছে, এখন সেই প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথেই এগোচ্ছে তেলআবিব।


\r\n

তবে বৈঠকে পশ্চিম তীর সংযুক্তির বিষয়টি রয়েছে কি না, তা অস্বীকার করেছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা। সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়ে তারা বলেন, “এই ইস্যু বৈঠকের আনুষ্ঠানিক এজেন্ডায় নেই।”


\r\n

এদিকে, সম্ভাব্য সংযুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক লানা নুসাইবেহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “পশ্চিম তীর দখলের যেকোনো পদক্ষেপ আমিরাতের জন্য রেড লাইন। এটি আব্রাহাম চুক্তির চেতনার সরাসরি বিরোধিতা এবং চুক্তিটিকে চূড়ান্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।”


\r\n

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা ধ্বংস হয়ে যাবে।