নির্বাচন কমিশন (ইসি) বুধবার (২১ জানুয়ারি) চূড়ান্ত প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেবে। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের শেষ ধাপের প্রস্তুতি শুরু হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে প্রার্থীরা মাঠে নেমে প্রচারণা চালাতে পারবেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার চলবে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত।
ইসি জানায়, এবারের নির্বাচনে ২৯৮টি আসনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। অধিকাংশ প্রার্থী দলীয় হলেও শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। এর আগে ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮৯৬ জন। সে তুলনায় এবার প্রার্থী কিছুটা বেড়েছে। আদালতের নির্দেশে নতুন তফসিল হওয়ায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের হিসাব এই তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।
এর আগে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বাছাই শেষে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর বিরুদ্ধে ৬৪৫ জন আপিল করেন এবং শুনানি শেষে ৪৩১ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান। পরে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত আরও ৩০৫ জন সরে দাঁড়ান। ফলে বর্তমানে ভোটের মাঠে রয়েছেন ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে প্রচারণা শুরু হলেও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে কড়া নজরদারি থাকবে।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনায় পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে সংশোধিত তফসিলে ভোটগ্রহণ হবে। নতুন তফসিল অনুযায়ী, গত রোববার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে পাবনা-১ আসনে সাতটি এবং পাবনা-২ আসনে পাঁচটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এসব আসনের প্রার্থীরাও মূল প্রতিযোগিতায় যুক্ত হবেন।





