দেশে ফিরেই নিজের এভারেস্ট জয় তরুণ প্রজন্মকে উৎসর্গ করেছেন পর্বতারোহী ইকরামুল হাসান শাকিল। তিনি তার এ যাত্রায় পাশে থাকার জন্য প্রাণ-আরএফএলসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
\r\nবৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকেলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শাকিল। এ সময় তিনি বলেন, \"আমার এই অভিযানে অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। বাংলাদেশ থেকে শুরু করে এভারেস্টের চূড়া পর্যন্ত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের ইনানী বিচ থেকে ১৩৭২ কিলোমিটার পথ হেঁটে পাড়ি দিয়েছি, এবং যমুনা নদী তিন কিলোমিটার সাঁতরে পার করতে হয়েছে। একে একে পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছি।\"
\r\nশাকিল আরও বলেন, \"এই পুরো পথে আমি জিরো লেভেল থেকে ধীরে ধীরে পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় উঠে গেছি। ১৯ মে সকাল সাড়ে ৬টায় এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা তুলে আমি আমার অভিযান শেষ করি। এই অভিযান শেষ করতে আমার মোট ৮৪ দিন সময় লেগেছে, তবে আমাদের লক্ষ্য ছিল ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করা।\"
\r\nএভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছানোর জার্নি সহজ ছিল না উল্লেখ করে শাকিল বলেন, \"আমরা সমুদ্র সমতলের মানুষ, তাই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা আমার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এরপর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল অর্থনৈতিক দিক, কারণ এ ধরনের অভিযানে অনেক খরচ হয়। তবে এই অভিযানে আমার পাশে ছিল বড় বড় প্রতিষ্ঠান, যেমন প্রাণ-আরএফএল। ব্যক্তিগতভাবে অনেক মানুষও আমাকে সহায়তা করেছেন। তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।\"
\r\nদেশে ফেরার পর সহকর্মী এবং পরিচিতজনদের কাছ থেকে সংবর্ধনা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে শাকিল বলেন, \"এটি আমার জন্য বিশাল অর্জন। সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। যারা ভবিষ্যতে এমন অভিযানে অংশ নিতে চান, তাদের জন্য আমি বলব, সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিন। বিশেষ করে মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি।\"





