নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের মুরাদনগরে সোমবার সকালে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবদল নেতা সাদেক হোসেন (৪২) নিহত হয়েছেন। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা ও ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এই মাসে একই এলাকায় সংঘর্ষে এর আগে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বছরের ৫ আগস্টের পর আলোকবালী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতা-কর্মী আত্মগোপনে গেলে বিএনপির দুটি পক্ষ সক্রিয় হয়ে ওঠে। একটি পক্ষে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহ আলম চৌধুরী এবং অন্যপক্ষে সদ্য বহিষ্কৃত সদস্যসচিব আবদুল কাইয়ুম মিয়া নেতৃত্ব দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আবদুল কাইয়ুম মিয়া দলীয় পদ থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় শাহ আলম পক্ষ তাকে ঠেকাতে এলাকার বাইরে থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ফেরানো শুরু করে। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

আজ সকালে সংঘর্ষের সময় অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন। নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর সাদেক হোসেনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ফরিদা গুলশানারা কবির জানান, নিহতের গলার ওপরের অংশে গুলির চিহ্ন রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কলিম উল্লাহ জানান, এলাকায় পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।