আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর ছয়টি সংসদীয় আসনে জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩৩ জন প্রার্থীকে বৈধ এবং ৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম যাচাই শেষে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ ও অবৈধ ঘোষণা করেন।
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটি এবং ঋণখেলাপি থাকার কারণে বাতিল হওয়া মনোনয়নগুলো বাতিল করা হয়েছে।
নওগাঁ–১
নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। এর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ও ৩ জনের বাতিল হয়েছে।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম, ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল হক শাহ, জাতীয় পার্টির আকবর আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. ছালেক চৌধুরী।
বাতিল হয়েছেন নুরুল ইসলাম, মাহমুদুস সালেহীন ও সোহরাব হোসেন।
নওগাঁ–২
পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নওগাঁ–৩
মহাদেবপুর ও বদলগাছী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের মনোনয়ন বৈধ হয়। এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটির কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি ও সাদ্দাম হোসেনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
নওগাঁ–৪
মান্দা উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ৭ জনের মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ হয়। এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গড়মিল ও ঋণখেলাপির কারণে ২ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
নওগাঁ–৫
নওগাঁ সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। দলীয় পরিচয় সংক্রান্ত তথ্যের গড়মিল থাকায় নজমুল হক সনির মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
নওগাঁ–৬
রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে জমা পড়া ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, “যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, তারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিলের সময়সূচি ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।”
এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) জয়ব্রত পালসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সংবাদমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।.





