তিনি বলেন, বিএনপি তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয়টা দেখছে। সরকারের কাছে যা যা সহযোগিতা তারা চাচ্ছেন, আমরা সেই সহযোগিতা করছি।
প্রেস সচিব বলেন, আমরা তারেক রহমানের বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানাই। তার প্রয়োজনীয় যে নিরাপত্তা (সিকিউরিটি) দরকার, সে বিষয়ে আমাদের সঙ্গে তার দলের আলাপ হচ্ছে। তারা যতটুকু চাচ্ছেন, বিএনপির সঙ্গে কথা বলে সেগুলো তদারকি (লুক আফটার) করা হচ্ছে।
ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, ওসমান হাদির বিষয়টা সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার (প্রায়োরিটি) দিয়ে তদন্ত (ইনভেস্টিগেট) করছে। সব নিরাপত্তা সংস্থা এটি নিয়ে কাজ করছে। পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো তদন্ত করে অনেককে গ্রেপ্তার করেছে। আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র (ক্লু) পাচ্ছি।
এসএসএফ কেন্দ্রিক বা এ ধরনের কোনো নিরাপত্তা কি তারেক রহমানকে দেওয়া হচ্ছে কি না বা তার দল থেকে চাওয়া হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, এই বিষয়টা তার দল বলতে পারবে। তবে আমাদের তরফ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শফিকুল আলম বলেন, দীপু চন্দ্র দাস হত্যার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছি এবং যারা জড়িত ছিলেন, ভিডিও এবং ভিজ্যুয়াল দেখে অন্তত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। এ বিষয়ে আজ আইন উপদেষ্টা জানিয়েছেন, এই মামলার বিচার হবে দ্রুত বিচার আইনে। সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। আপনারা দেখেছেন দুর্গাপূজার সময় এবং অন্যান্য বড় ধর্মীয় উৎসবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল।





