ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ছয় শিক্ষার্থী ২০২২ ও ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ব্যাচেলর অব প্রফেশনাল ফার্মেসি পরীক্ষায় উৎকর্ষতা দেখিয়ে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। একই অনুষ্ঠানে ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখায় সাত শিক্ষককে ডিন সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া দুই শিক্ষার্থী বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটি (বিপিএস) স্বর্ণপদক এবং আরও দুজন কথাশিল্পী সরদার জয়েনউদ্দিন স্বর্ণপদক পেয়েছেন।
২০২২ ও ২০২৩ সালের বি. ফার্ম পেশাগত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া আট শিক্ষার্থী বদরুন্নেসা গফুর মেমোরিয়াল ট্রাস্ট বৃত্তি পেয়েছেন। পাশাপাশি ১৬ শিক্ষার্থীকে বিপিএস বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেলিম রেজা। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী অ্যাওয়ার্ড স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. আসলাম হোসেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয় এবং শেষে একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা:
২০২২: সাদিয়া আফরিন, ফাহিমা জান্নাত কলি, আল আশিকুর রহমান আলিফ
২০২৩: মো. তৌহিদুল ইসলাম, রাফিউদ্দিন খান লাবিব, রুম্মান রেজা
ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকরা:
অধ্যাপক ড. আবু আছাদ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রাশেদুল হক, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত, অধ্যাপক ড. শিমুল হালদার, ড. মো. আল আমীন সিকদার, ড. যোবায়ের আল মাহমুদ, ড. মো. রায়হান সরকার।
বিপিএস স্বর্ণপদক পেয়েছেন:
সাদিয়া আফরিন, মো. তোহিদুল ইসলাম
কথাশিল্পী সরদার জয়েনউদ্দিন স্বর্ণপদক পেয়েছেন:
সাদিয়া আফরিন, রুম্মান রেজা
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়িয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো অর্জনে পরিবার, শিক্ষক ও সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নেও সমাজের সম্পৃক্ততা যে অপরিহার্য, তা তিনি বক্তৃতায় তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের অগ্রগতি দূরদর্শী নীতির ফল। ফার্মেসি অনুষদ ছোট হলেও গবেষণা, র্যাঙ্কিং ও শিক্ষায় ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।





