সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, তথাকথিত টোকাই ইউটিউবারদের এখন দুর্দিন চলছে।
রবিবার নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে কিছু ইউটিউবার ও ফেসবুকার সমাজে ইতিবাচক-নেতিবাচক দুই ধরনের প্রভাব বিস্তার করেছে। তবে তাদের অনেকেই অশ্লীলতা, ঘৃণা ছড়ানো, সমাজের ভারসাম্য নষ্ট করা এবং সহিংসতা উসকে দেওয়ার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে বিভ্রান্ত করেছে।
রনি বলেন, “এদের মধ্যে অনেক প্রবাসী ইউটিউবার রয়েছেন। আমাদের দেশের কিছু সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী তাদের ‘টোকাই ইউটিউবার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই ইউটিউবাররা অশ্লীলতা ও অশ্রাব্যতাকে পুঁজি করে সমাজে সহিংসতা তৈরি করেছে। এর ফলে তরুণদের মধ্যে ছিনতাই, রাহাজানি, মারামারি ও বিভেদ বেড়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “সবসময় নেতিবাচক কথা বললে মানুষ নিজেই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের চেহারায় শয়তানি ছাপ চলে আসে, স্বাভাবিক লাবণ্যতা নষ্ট হয়ে যায়।”
রনি অভিযোগ করেন, এসব ইউটিউবার আগে বিদেশি প্রভুদের হয়ে কাজ করত। মাসে ৫০০ থেকে ৯৫০ ডলার পর্যন্ত বেতন পেত। কিন্তু এখন সেই অর্থ আর পাচ্ছে না। ফলে তারা ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে।
তিনি বলেন, “প্রভুরা এখন টাকা দিতে পারছে না। বট বাহিনীও টাকা পাচ্ছে না। তাই অনেকেই বাঁচার জন্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা করছে। তাদের কথাবার্তা, সুর, এমনকি অবস্থানও এখন এলোমেলো হয়ে গেছে।”
রনির দাবি, গত এক মাসে এদের মধ্যে অনেকেই পুরনো অবস্থান বদলে একসময় যাদের প্রশংসা করত তাদের গালি দিচ্ছে, আবার যাদের সমালোচনা করত তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে।





