ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি -এর মরদেহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে দাফন করা হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি।
ফারস নিউজের বরাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, জানাজা শেষে তাকে তার নিজ শহর মাশহাদে সমাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া রাজধানীতে ব্যাপক গণশোক ও স্মরণসভা আয়োজনের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীতে সর্বসাধারণের অংশগ্রহণে স্মরণানুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে। তবে জানাজা ও স্মরণসভার সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময় এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এ বিষয়ে ইরান সরকারের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। ওই হামলায় তার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীও নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
তবে হামলার প্রকৃতি, ব্যবহৃত অস্ত্র কিংবা হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।





