রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলায় গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন চরম উত্তেজনায় রয়েছে।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের সময় নুরুল হক নুর রক্তাক্ত হন। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই বিএনপি, জামায়াতসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল বিবৃতি দিয়ে নিন্দা জানায়। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ করেন।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (আজ) দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে গণ অধিকার পরিষদ। সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকাল থেকেই রাজধানীর কাকরাইলের জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ।

রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শান্ত গণমাধ্যমকে জানান, “সকাল ৮টা থেকে আমরা এখানে দায়িত্ব পালন করছি। পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এখানেই থাকবো।” দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা রমনা থানার পাশাপাশি রাজারবাগ পুলিশ লাইন থেকেও এসেছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আহত নুরুল হক নুরের মুখ থেকে বুক পর্যন্ত রক্তাক্ত এবং তাকে স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। সংঘর্ষের পর জাতীয় পার্টি কার্যালয়ে কোনো দলের নেতাকর্মী উপস্থিত নেই বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।