জাতীয় নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখা। পাশাপাশি প্রার্থীদের পেশীশক্তি ব্যবহার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ভিডিওর মাধ্যমে কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়ন্ত্রণ করাও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরো ভোটকার্যক্রম নিরাপদ রাখতে জাতীয় নির্বাচন নিরাপত্তা সমন্বয় সেল গড়ে তোলা জরুরি।
নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল আলীম বলেন, “সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আইনশৃঙ্খলা। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি এবং প্রয়োজনে সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করতে রিস্ক ম্যাপিং করা দরকার।”
বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের পতনের পর ভোটের মাঠে প্রধান বড় দল হিসেবে থাকছে বিএনপি। অন্যদিকে কিছু দল সরকারের আনুকূল্যের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে। এতে নির্বাচনে পেশীশক্তি বনাম নিরপেক্ষতার চ্যালেঞ্জ আরও বড় হয়ে উঠেছে।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো যদি পেশীশক্তি ব্যবহার করে, হুন্ডা-গুন্ডার আশ্রয় নিক, বা মনোনয়ন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে, তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের বড় বাধা তৈরি হবে।”
এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণায় এআই-জেনারেটেড ভিডিও তৈরি হচ্ছে, যা কাদা ছোড়াছুড়ির বার্তা ছড়াচ্ছে। ড. আব্দুল আলীম বলেন, “এ ধরনের কৌশল চলতে থাকলে নির্বাচনের পরিবেশ খারাপ হয়ে যাবে। এজন্য এআই ভিডিও ও সোশ্যাল মিডিয়ার মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রণ জরুরি।”
বিশ্লেষকরা মনে করেন, পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমের সুযোগ সংকুচিত না করে নির্বাচন যতটা সম্ভব উন্মুক্ত রাখা উচিত, যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।





