রাজধানীর বসুন্ধরার ৩০০ ফিট সড়ক এবং তার আশপাশের এলাকা বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকে অগণিত মানুষের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। সকাল ৮টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মঞ্চের চারপাশে দাঁড়ানোর কোনো জায়গা নেই। মঞ্চ প্রস্তুত, সেখানে ১৯টি চেয়ার রাখা হয়েছে, আর চারপাশে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরেছেন। তিনি বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। ঢাকায় তার নির্ধারিত অবতরণ সময় ছিল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫৫ মিনিট।
নেতাকর্মীদের ঢল বরিশাল, রাজশাহী, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, খুলনা, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ট্রেন, লঞ্চ ও সড়ক পথে ঢাকা পৌঁছেছে। ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল থেকে ভোরে ঢাকায় এসেছেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আকতারুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আজকে তারেক ভাইকে সামনা-সামনি দেখব। দূর-দূরান্ত থেকে শুধু তাকে এক নজর দেখতে এসেছি।”
পটুয়াখালী থেকে ভোরে লঞ্চে আসেন বিএনপির সমর্থক সুবিদ মাস্টার তার দুই ছেলে ও ভাগ্নেকে নিয়ে। তিনি বলেন, “ছয়-সাত বছর নয়, ১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি তারেক রহমানের ওপর কি অন্যায়-অবিচার হয়েছে। তাই এই শীতে ঢাকা আসছি, শুধু তারেক রহমানকে এক নজর দেখার জন্য।”
বসুন্ধরার সংবর্ধনা স্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। বিমানবন্দর, পূর্বাচল, বননী, যুমনা ফিউচার পার্কসহ বিভিন্ন পয়েন্টে নেতা-কর্মীরা মিছিল করে উপস্থিত হয়েছেন। স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। মিছিলে ব্যান্ড সংগীতের দলও অংশ নিয়েছে, যা আনন্দমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।





