চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াতকর্মী হাফিজুর রহমান নিহতের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে দামুড়হুদার জয়রামপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি জীবননগরের বাঁকা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত আহ্বায়ক।
এদিকে সদর উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে শহরের শহীদ হাসান চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ হাসান চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা ও উপজেলা জামায়াতের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, জামায়াতকর্মী ও জুয়েলারি ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে।
এ হত্যাকাণ্ড দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখে দিতে তাদের প্রতিহত করা হবে। একটি রাজনৈতিক দল প্রতিহিংসায় মেতেছে। তা জেলার জন্য সুখকর কিছু হবে না।তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হন বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমিরের ভাই ও হাফিজুর রহমান।
এ ঘটনায় রবিবার জীবননগর থানায় ৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল আল নাসের।





