জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে সব সীমান্ত ক্রসিং অবিলম্বে খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।


\r\n

রেডক্রসের মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান কারদন জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গাজায় মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। তাই রেডক্রসসহ সব মানবিক সংস্থার কর্মীদের নিরাপদ প্রবেশ নিশ্চিত করতে এবং সহায়তা পৌঁছাতে সব সীমান্তপথ খোলা রাখা জরুরি।


\r\n

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা ওসিএইচএর মুখপাত্র ইয়েন্স লারকে একই দাবি করে বলেন, সহায়তা অব্যাহত রাখতে ও জীবন বাঁচাতে আমাদের সব প্রবেশপথ প্রয়োজন।


\r\n

এদিকে, টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, ইসরায়েল এবং জিম্মি পরিবারগুলো অভিযোগ করছে, হামাস অস্ত্রবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করছে, কারণ তারা এখনো ২৪ জন নিহত জিম্মির মরদেহ ফেরত দেয়নি।


\r\n

অন্যদিকে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় গাজার পুনর্গঠনে তিনি গালফ দেশগুলো, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের সহায়তা চেয়ে পদক্ষেপ নেবেন।


\r\n

মিশরের শার্ম আল-শেখে গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈশ্বিক সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার পথে সাংবাদিকদের এরদোগান বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত দুই-রাষ্ট্র সমাধানের ভিত্তি হতে পারে।


\r\n

তুর্কি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এরদোগান বিশ্বাস করেন—গাজা পুনর্গঠনের জন্য যেসব প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে, সেগুলোর অর্থায়ন খুব দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে।